কুড়িগ্রাম জেলার দর্শনীয় স্থানসমূহ
চান্দামারী মসজিদ
কিভাবে যাওয়া যায়:
বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে কুড়িগ্রাম বাস স্ট্যান্ড এ নেমে অটো রিক্সা যোগে রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের কাছে গিয়ে খোঁজ করলে পাওয়া যাবে মসজিদটি
চান্দামারী মসজিদ
এ মসজিদের অবসহান কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার রাজারহাট ইউনিয়নের মন্ডলপাড়ায়। সড়কপথে এটি রাজারহাট উপজেলা থেকে ৪ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে অবসিহত। তিন গমবুজ ও তিন মিহরাব বিশিষ্ট দৃষ্টিনন্দন মোগল আমলের এই মসজিদটির নির্মাণকাল আনুমানিক ১৫৮৪-১৬৮০ খ্রিটাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে। সুলতানী আমলের শিল্প বৈশিষ্ট্য ও মোগল সহাপত্যকলার সমন্বয় ঘটেছে।
অবস্থান:
রাজারহাট উপজেলা
শাহী মসজিদ
কিভাবে যাওয়া যায়:
দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে কুড়িগ্রাম জেলা বাস টার্মিনালে পৌঁছার পর অটো(ইজি বাইক) যোগে রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সামনে এসে জিজ্ঞাস করলেই পাওয়া যাবে শাহী মসজিদ।
শাহী মসজিদ
কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলা সদর থেকে ১ কিমি উত্তর-পূর্ব দিকে ব্যাপারীপাড়া শাহী মসজিদ অবসিহত। মসজিদটির দৈর্ঘ্য ৩২ ফুট প্রসহ ১০ ফুট। চারপাশে ৩ ফুট উঁচু প্রাচীর দ্বারা সুরক্ষিত । মসজিদের সামনে ৩টি দরজা। একটি সুদৃশ্য প্রবেশ তোরণ, ০২টি মিনার এবং চার কোণায় ৪টি উচুঁ মিনার আছে । এই মিনারগুলোর পাশে আরো ৮টি ছোট মিনার আছে । ছাদের মাঝখানে ৩টি বড় আকৃতির গমবুজ আছে। মসজিদের কোন শিলালিপি নেই তবে মোগল সহাপত্য শৈলিতে নির্মিত মসজিদটি ২০০ বছরের পুরাতন বলে অনুমান করা যায় । মসজিদের সামনে একটি দিঘি আছে ।
অবস্থান:
রাজারহাট উপজেলা
চণ্ডী মন্দির
কিভাবে যাওয়া যায়:
দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে কুড়িগ্রাম জেলা বাস টার্মিনালে পৌঁছার পর অটো(ইজি বাইক) যোগে উলিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সামনে এসে জিজ্ঞাস করলেই পাওয়া যাবে চণ্ডী মন্দির।
চন্ডিমন্দির
চন্ডিমন্দির কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলা সদর থেকে ৩ কিমি পূর্বদিকে ধামশ্রেণী নামক সহানে অবসিহত। মন্দিরটি মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে (১৬৫৮-১৭০৭) নির্মিত বলে একাধিক ঐতিহাসিক সূত্রে জানা যায়। মন্দিরটি দেখতে অনেকটা কালীমন্দিরের ন্যায়। ১৮৯৭ এর ভূমিকম্পে এটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রসহ হয়। এখানে নতুন একটি মন্দির নির্মাণ করা হয়েছে। এখানেই ছিল বাহারবন্দ পরগণার সদর দপ্তর এবং জমিদার ছিলেন রাণী সত্যবর্তী। ধামশ্রেণীতে সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির নামে আরেকটি মন্দির অবসিহত।
অবস্থান:
উলিপুর উপজেলার ধামশ্রেণী ইউনিয়ন
দোলমঞ্চ মন্দির
কিভাবে যাওয়া যায়:
দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে কুড়িগ্রাম জেলা বাস টার্মিনালে পৌঁছার পর অটো(ইজি বাইক) যোগে উলিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সামনে এসে জিজ্ঞাস করলেই পাওয়া যাবে দোলমঞ্চ মন্দির।
দোলমঞ্চ মন্দির
দোলমঞ্চ মন্দির কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলা সদর থেকে ৩ কিঃমিঃ পূর্বদিকে ধামশ্রেণী নামক সহানে অবসিহত। জমিদার রাণী সত্যবর্তীর (১৬৫৮-১৭৮৭খ্রি.) নিযুক্ত ব্রাহ্মণ পুরোহিতের গৃহ প্রাঙ্গণে সহাপিত এই মন্দিরটি এখন ভগ্নদশাপ্রাপ্ত। এ সহানে আরো কয়েকটি মন্দির আছে যেসব ১৮৯৭’র ভূমিকম্পে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রসহ হয়।
অবস্থান:
উলিপুর উপজেলার ধামশ্রেণী ইউনিয়ন
ভেতরবন্দ জমিদার বাড়ি
কিভাবে যাওয়া যায়:
দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে কুড়িগ্রাম জেলা বাস টার্মিনালে পৌঁছার পর অটো(ইজি বাইক) যোগে নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিওনের সামনে এসে জিজ্ঞাস করলেই পাওয়া যাবে ভেতরবন্দ জমিদার বাড়ি।
ভেতরবন্দ জমিদার বাড়ি
এই জমিদারবাড়ি কুড়িগ্রাম জেলা সদর থেকে ১৬ কিমি দূরে নাগেশ্বরী উপজেলার ভেতরবন্দ ইউনিয়নের ভেতরবন্দ গ্রামে অবসিহত। ইংরেজ আমলের শুরুর দিকে ভেতরবন্দ গরগণার সদর দপ্তর ছিল রাশাহীতে। চিরসহায়ী বন্দোবস্তের অব্যবহিত পরেই ভেতরবন্দ পরগণার সদর দপ্তর নাগেশ্বরী উপজেলার ঈেতরবন্দে সহানান্তর করা হয় । জমিদারবাড়ির কাঠ নির্মিত বাড়ির অর্ধেকটা এখন আর নেই, বাকি অর্ধেকটা ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয় হিসাবে ব্যবহ্নত হচ্ছে।
অবস্থান:
নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়ন
চিলমারী বন্দর
কিভাবে যাওয়া যায়:
দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে কুড়িগ্রাম জেলা বাস টার্মিনালে পৌঁছার পর অটো(ইজি বাইক) যোগে সরাসরি যাওয়া যাবে চিলমারির বন্দর।
চিলমারী বন্দর
কুড়িগ্রাম জেলা সদর থেকে ৩৫ কিমি দক্ষিণে ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে অবসিহত। ব্রহ্মপুত্র নদের এবং চিলমারি বন্দরের গুরুত্ব অপরিসীম । ব্রহ্মপুত্র নদ পৃথিবীর অষ্টম বৃহত্তম নদ। চিলমারি বন্দরকে নিয়ে আববাস উদ্দীনের বিখ্যাত ভাওয়াইয়া গান আজও বাংলার লোকসঙ্গীতের সম্পদ। এই চিলমারি বন্দর সংলগ্ন ব্রহ্মপুত্র নদী দিয়ে ব্রিটিশ আমলে বড় বড় জাহাজ চলাচল করতো। বর্তমানে এই বন্দর নদীর নাব্যতা হ্রাসজনিত কারণে জাহাজ চলাচলের অনুপযোগী, কেবল নৌপরিবহন ব্যবসহাটিই টিকে আছে । সীমিত আকারে হলেও বন্দর বর্তমানেও ব্যবহ্নত হচ্ছে।
অবস্থান:
চিলমারি উপজেলার রমনা ইউনিয়নে অবস্িত
বীর প্রতীক তারামন বিবির বাড়ী ও সংলগ্ন স্থান
কিভাবে যাওয়া যায়:
সাইকেল,মোটরসাইকেল,অটোরিকসা,রিকসা
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তারা বিবির বিশেষ অবদান থাকার কারনে তাহাকে একটি বাড়ী ও বাগান করে দেয় সরকার এবং এই বাড়ী ও স্থান দেখার জন্য অনেক লোকের আগমন ঘটে তাই এটির দর্শনীয় স্থান বলা হয়।
অবস্থান:
হলোখানা ইউনিয়নে চরআরাজীপলাবাড়ী গ্রামে।
হলোখানা ইউনিয়নে ধরলা নদীর তীরে
কিভাবে যাওয়া যায়:
কুড়িগ্রাম জেলা শহর হতে ৫কিঃমিঃ উত্তরে রিকসা, অটোরিকসা, বাইসাইকেল, মটর সাইকেল এ যাওয়া যায়।
বর্ননা
ব্লক পিসিং এ বসে প্রকৃতিক দৃর্শ, নানারকম পাখি, প্রতি বছর মেলা বসে, কাশবন, কলা বাগান, নৌকা বাইজ, ঘোর দৌড়, কুমির সহ নানা ধরনের প্রানী এ স্থানে চোখে পরে।
অবস্থান:
হলোখানা ইউনিয়নে
নাওডাঙ্গা জমিদার বাড়ী
কিভাবে যাওয়া যায়:
ফুলবাড়ী উপজেলায় গিয়ে যে কোন অটোগাড়ী, বা রিক্সায় চড়ে নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন আসতে হবে।
লিখতে হবে
অবস্থান:
কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী, উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নে অবস্থিত
মোগলবাসা ভাটলার সুইচগেট
কিভাবে যাওয়া যায়:
জেলাপ্রশাসক কার্যালয় কুড়িগ্রাম থেকে
সুইচেগটিট বনার সময় নদীর পািন েবশী হওয়ার কারেন েগট গুেলা বন্ধ কের েদওয়া হয় । সুইচেগটিট উওর দিক্ষন লম্বা সুইচেগটিটর ১৬িট েগট রিহয়ােছ । েমাগলবাসার দিক্ষন িদেক ৬ নং ওয়ােড অবস্থীত । েমাগলবাসা ইউিনয়েনর দি
অবস্থান:
মোগলবাসা ইউনিয়নের ৬নং ওয়াডে অবস্থীত ।
ধরলা ব্রিজের পাড়-পিকনিক ষ্পট
কিভাবে যাওয়া যায়:
রিকশা ,বাস ,মোটর বাইক ,ইত্যাদি
ধরলা ব্রীজের সুচনার ভিত্তিতে এই জায়গাটি বিনোদনের একটি গুরুত্ব পুর্ন স্থান হিসাবে পরিচিতি লাভ করতে সক্ষম হয়েছে।
অবস্থান:
জেলা সহর হতে পূর্বে ২ কি:মি:দূরুত্বে এ বিনোদনের স্থানটি অবস্থিত।
ঘোগাদহ বাজার
কিভাবে যাওয়া যায়:
সাইকেল, রিকসা, বাস ইত্যাদী
কুড়িগ্রাম সদর হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার পূর্ব উত্তরে অবস্থিত
অবস্থান:
ঘোগাদহ , কুড়িগ্রাম।
